গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায়।
আজকাল গ্যাস্ট্রিক আর আলসারের সমস্যায় ভোগেন না,এমন মানুষ খুব কমই আছে। সময়মতো না খাওয়া,ঝাল খাবার আর দুশ্চিন্তার কারণে এই কষ্ট দিন দিন বাড়ছে। বুক জ্বালা আর পেট ব্যথায় জীবন অনেক সময় অসহ্য হয়ে যায়।
তবে কিছু সহজ নিয়ম আর অভ্যাস মানলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।তাহলে চলুনগ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার জাদুকরী উপায় সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটিতে বিস্তারিতভাবে জেনে নিই।
পেজ সূচিপএঃগ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায় জেনে নিন।
- গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায়।
- গ্যাস্ট্রিক কী এবং কেন হয়
- আলসার কী এবং এর লক্ষণ
- সকালে খালি পেটে কী করবেন
- গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে উপকারী খাবার
- গ্যাস্ট্রিকে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন
- গ্যাস্ট্রিক কমানোর ঘরোয়া চিকিৎসা
- মানসিক চাপ কমানো খুব জরুরি
- খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়ম
- কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন
- শেষ কথাঃ গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায়।
গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায়।
আজকাল গ্যাস্ট্রিক আর আলসার এমন একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে,যা প্রায় ঘরে ঘরে দেখা যায়। একটু দেরিতে খাওয়া,ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার,চা-কফি বেশি খাওয়া বা মানসিক চাপ,এসবের কারণে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। বুক জ্বালা,পেট ব্যথা,বমি ভাব,অস্বস্তি,এই কষ্টগুলো দিনের পর দিন চলতে থাকলে জীবন সত্যিই দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য জটিল ও দামী ওষুধের দরকার নেই।নিয়মিত খাবার খাওয়া,ঝাল-ভাজা ও অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলা, হালকা খাবার খাওয়া,সকালে খালি পেটে গরম পানি বা জিরা পানি পান করা এবং মানসিক চাপ কমানো,এসব অভ্যাস মানলেই অনেকটা আরাম পাওয়া সম্ভব।
এছাড়া হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটিও পেট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।ঘরোয়া এই পদ্ধতিগুলো নিয়মিত মানলেই গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যা অনেকটা কমানো যায় এবং সুস্থ জীবন যাপন করা সম্ভব। তবে ভালো খবর হলো,সঠিক নিয়ম আর কিছু ঘরোয়া অভ্যাস মানলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
গ্যাস্ট্রিক কী এবং কেন হয়
গ্যাস্ট্রিক হলো পেটের এমন একটি সমস্যা,যেখানে পাকস্থলীতে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি এসিড তৈরি হয়। এই অতিরিক্ত এসিডের কারণে বুক জ্বালা,পেট ব্যথা,পেট ফাঁপা,ঢেকুর,বমি ভাবের মতো অস্বস্তিকর সমস্যা দেখা দেয়। সহজভাবে বললে,পেট ঠিকমতো কাজ না করলেই আমরা যেটাকে গ্যাস্ট্রিক বলি। অনেক সময় খালি পেটে ব্যথা বেশি অনুভূত হয়,আবার কারও ক্ষেত্রে খাওয়ার পরেই জ্বালা শুরু হয়।গ্যাস্ট্রিক হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো অনিয়মিত জীবনযাপন।
সময়মতো খাবার না খাওয়া,একবেলা বেশি খাওয়া আবার একবেলা না খাওয়া,অতিরিক্ত ঝাল ও ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া,খালি পেটে চা-কফি পান করা,এসবের কারণে পেটে এসিড বেড়ে যায়। এর সঙ্গে মানসিক চাপ,দুশ্চিন্তা,কম ঘুম,ধূমপান ও অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়াও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব কারণ একসাথে জমে গেলে ধীরে ধীরে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তৈরি হয় এবং অবহেলা করলে তা আলসারের মতো গুরুতর সমস্যায়ও রূপ নিতে পারে।
আলসার কী এবং এর লক্ষণ
আলসার হলো পাকস্থলী বা অন্ত্রের ভেতরের দেয়ালে তৈরি হওয়া একটি ক্ষত বা ঘা। সাধারণ ভাষায় বললে,পেটের ভেতরে যখন দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত এসিডের আঘাতে ঘা তৈরি হয়,তখন সেটাকেই আলসার বলা হয়। অনেক সময় দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিক ঠিকমতো চিকিৎসা না করলে আলসারে রূপ নেয়। আলসার হলে পেটের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয় এবং ব্যথা ধীরে ধীরে তীব্র আকার ধারণ করে।আলসারের লক্ষণগুলো সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের চেয়ে একটু বেশি গুরুতর হয়।
পেটের মাঝখানে বা বুকের নিচে জ্বালাপোড়া ও তীব্র ব্যথা,খালি পেটে ব্যথা বাড়া,বমি ভাব বা বমি হওয়া,খাবারে অরুচি,এসব সাধারণ লক্ষণ। অনেক ক্ষেত্রে রক্ত বমি হওয়া বা পায়খানা কালো রঙের হওয়াও আলসারের লক্ষণ হতে পারে,যা খুবই বিপজ্জনক। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে,কারণ আলসার অবহেলা করলে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
সকালে খালি পেটে কী করবেন
সকালে খালি পেটে কী করবেন,এই অভ্যাসটাই গ্যাস্ট্রিক ও আলসার কমানোর ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা ভালো। এতে পেট পরিষ্কার থাকে,রাতভর জমে থাকা এসিড কিছুটা কমে যায় এবং হজমের কাজ সহজ হয়। চাইলে এই পানিতে অল্প মধু বা সামান্য জিরা গুঁড়া মিশিয়ে নিতে পারেন,এতে পেট আরও শান্ত থাকে।এরপর খালি পেটে ভারী খাবার বা চা-কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
অনেকেই সকালে উঠেই চা খান,এতে পেটের এসিড হঠাৎ বেড়ে যায়। বরং হালকা কিছু যেমন কলা বা বিস্কুট খেয়ে তারপর চা খাওয়া ভালো। যারা নিয়মিত গ্যাস্ট্রিকে ভোগেন,তারা সকালে একটু হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়াম করলে পেটের অস্বস্তি কম অনুভব করেন। সহজভাবে বললে,সকালে খালি পেটে গরম পানি পান,ভারী কিছু এড়িয়ে চলা আর হালকা চলাফেরা,এই তিনটি অভ্যাসই পেট সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে উপকারী।
গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে উপকারী খাবার
গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থাকলে খাবারের দিকে একটু বাড়তি যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা। এমন খাবার খেতে হবে যেগুলো সহজে হজম হয় এবং পেটের এসিড বাড়ায় না। ভাত,ডাল,সেদ্ধ সবজি,লাউ,পেঁপে,কুমড়া,আলু,এই ধরনের নরম ও সাদামাটা খাবার পেটের জন্য খুব উপকারী। এগুলো পাকস্থলীতে চাপ ফেলে না এবং ধীরে ধীরে হজম হয়,ফলে জ্বালা ও ব্যথা কম থাকে।ফলমূলের মধ্যে কলা গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের জন্য খুব ভালো।
কলা পেটের ভেতরে এক ধরনের প্রাকৃতিক আবরণ তৈরি করে,যা এসিডের ক্ষতি কমায়। দইও খুব উপকারী খাবার,কারণ এতে থাকা ভালো ব্যাকটেরিয়া হজম শক্তি বাড়ায় এবং পেটের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। চিড়া বা হালকা সুজি জাতীয় খাবারও সহজে হজম হয়। সহজভাবে বলতে গেলে,গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে ঝাল-ভাজা বাদ দিয়ে নরম,সেদ্ধ ও কম মসলার খাবার খেলে পেট ধীরে ধীরে ভালো হতে শুরু করে।
গ্যাস্ট্রিকে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন
গ্যাস্ট্রিক বা আলসারের সমস্যায় যেসব খাবার পেটের ওপর চাপ ফেলে বা এসিড বাড়ায়,সেগুলো এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে ভালো। এর মধ্যে প্রথমেই আসে ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার,কারণ এগুলো পেটে জ্বালা ও গরম ভাব বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি ভাজা ও তেল-মশলাযুক্ত খাবার,যেমন ফুচকা,সামোসা,ফ্রাইড ফাস্টফুড ইত্যাদি,পেটের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়।চা ও কফি বেশি খাওয়াও ভালো নয়,বিশেষ করে খালি পেটে,কারণ এতে এসিড দ্রুত বেড়ে যায়।
এছাড়া কোল্ড ড্রিংকস বা সোডা এবং অতিরিক্ত চকলেটও গ্যাস্ট্রিককে আরও শক্তিশালী করে। অনেকেই কাঁচা মরিচ বা অতিরিক্ত রেসিপি জাতীয় ঝাল মশলা ব্যবহার করেন,যা আলসারের সমস্যা তীব্র করে দিতে পারে। সহজভাবে বললে,গ্যাস্ট্রিক বা আলসার থাকলে ঝাল,ভাজা,অতিরিক্ত চা-কফি,কোল্ড ড্রিংকস এবং অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে নিরাপদ।
গ্যাস্ট্রিক কমানোর ঘরোয়া চিকিৎসা
গ্যাস্ট্রিক কমানোর জন্য কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় অনেক কাজে আসে। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হলো সকালে খালি পেটে গরম পানি বা জিরা পানি পান করা,যা পেটের ভেতরের এসিড কমাতে সাহায্য করে। অনেকেই সকালে অল্প মধু মিশিয়ে পান করেন,এতে পেট ভাল থাকে এবং হজম শক্তি ভালো হয়। এছাড়া কলা,পেঁপে খাওয়াও গ্যাস্ট্রিক কমাতে সাহায্য করে,কারণ এগুলো সহজে হজম হয় এবং পেটের ভেতরে ঘা বা জ্বালা তৈরি করে না।
হালকা হাঁটাহাঁটি বা নিয়মিত হালকা ব্যায়ামও খুব উপকারী। কিছু মানুষ দই খাওয়াকে প্রতিদিনের রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করেন,যা পেটের ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে হজমকে সহজ করে। এছাড়া ঝাল,ভাজা,অতিরিক্ত চা-কফি,কোল্ড ড্রিংকস বা ফাস্টফুড এড়িয়ে চললেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকটাই কমে। সহজভাবে বললে,ঘরোয়া এই নিয়মগুলো নিয়মিত মানলেই গ্যাস্ট্রিক থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
মানসিক চাপ কমানো খুব জরুরি
গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যায় শুধু খাবারই নয়,মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করাও খুব জরুরি। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা,টেনশন বা রাগ পেটের এসিড দ্রুত বাড়িয়ে দেয়,ফলে বুক জ্বালা,পেট ব্যথা ও গ্যাস আরও বেড়ে যায়। তাই নিজের মানসিক শান্তির দিকে নজর দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।প্রতিদিন কিছু সময় নিজের জন্য রাখুন,হালকা হাঁটাহাঁটি করুন,প্রিয় গান শুনুন বা বই পড়ুন।
যারা নামাজ বা ধ্যান করেন,তারা দেখবেন এই অভ্যাসও পেটের সমস্যাকে অনেকটা কমিয়ে দেয়। ঘুম ঠিকমতো হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ,কারণ কম ঘুমের ফলে দুশ্চিন্তা বাড়ে এবং গ্যাস্ট্রিক আরও বেড়ে যায়। সহজভাবে বললে,খাবার ঠিক রাখা যেমন জরুরি,তেমনি মানসিক চাপ কমানোও গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রয়োজন।
খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়ম
গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়ম মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে,একবারে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া ভালো। এতে পাকস্থলী চাপের মধ্যে আসে না এবং হজম সহজ হয়। রাতের খাবার খুব দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস থাকা উচিত নয়,কারণ রাতে ঘুমের সময় পেট ঠিকমতো হজম করতে পারে না।খাবার খাওয়ার পরে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়া উচিত নয়,কমপক্ষে ৩০ মিনিট বসে থাকা বা হালকা হাঁটাহাঁটি করা ভালো।
চিবিয়ে খাওয়াও জরুরি,কারণ দ্রুত খাবার খেলে পেটের ওপর চাপ পড়ে এবং গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালা আরও বেড়ে যায়। ঝাল,তেল-মশলাযুক্ত বা ফাস্টফুড থেকে দূরে থাকা এবং হালকা খাবার খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।সঠিক সময়ে,পরিমাণমতো,ধীরে ধীরে ও হালকা খাবার খাওয়াই গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায়।
কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন
গ্যাস্ট্রিক বা আলসারের সমস্যা সাধারণত ঘরোয়া উপায় মানলেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে, কিন্তু কখনও কখনও ডাক্তারের সাহায্য নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। যদি পেটের ব্যথা খুব তীব্র হয় বা নিয়মিত থাকে,খালি পেটেও ব্যথা বেড়ে যায়,বারবার বমি বা বমি ভাব হয়, খাবারে অরুচি থাকে বা রক্ত বমি বা কালো পায়খানা দেখা দেয়,এসব ক্ষেত্রে দেরি না করে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
এছাড়া হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া,শরীরে অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা,বা ঘরোয়া চিকিৎসার পরও সমস্যা কম না হওয়া,যদি ঘরোয়া পদ্ধতিতে আরাম না আসে,ব্যথা তীব্র হয় বা রক্তপাতের মতো লক্ষণ দেখা দেয়,তখন ডাক্তারের কাছে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
শেষ কথাঃ গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া জাদুকরী উপায়।
শেষ কথায় বলতে গেলে,গ্যাস্ট্রিক ও আলসারের সমস্যার জন্য বড় কোনো জাদু বা ওষুধের দরকার নেই। ঘরোয়া কিছু সহজ নিয়ম মানলেই অনেকটাই আরাম পাওয়া সম্ভব। সময়মতো খাবার খাওয়া,ঝাল-ভাজা ও অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলা,হালকা খাবার নির্বাচন করা,সকালে খালি পেটে গরম পানি বা জিরা পানি পান করা,মানসিক চাপ কমানো এবং হালকা হাঁটাহাঁটি,এসব অভ্যাস নিয়মিত করলে পেট সুস্থ থাকে এবং জ্বালা ও ব্যথা কমে। অবশ্যই সমস্যা তীব্র হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
তাই সচেতনভাবে দৈনন্দিন জীবনযাপন করলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং সুস্থ ও আরামদায়ক জীবন উপভোগ করা সম্ভব।গ্যাস্ট্রিক ও আলসার কোনো ছোট সমস্যা নয়,আবার ঠিক নিয়ম মানলে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন নয়। নিজের খাবার,অভ্যাস আর মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে একটু নজর দিলেই ধীরে ধীরে সুস্থ জীবন ফিরে পাওয়া সম্ভব।

.webp)
.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url