একদম শুষ্ক হাত হলে কোন লোশন রাতে দিলে ঠিক হয়।
শুষ্ক হাতের জন্য রাতে কোন লোশন ব্যবহার করবেন,সেটা আসলে আপনার হাত কতটা শুকনো তার ওপর নির্ভর করে।শুষ্ক হাত অনেকের জন্য সাধারণ একটি সমস্যা,বিশেষ করে শীতের সময়ে। এতে হাত রুক্ষ ও খসখসে হয়ে যায়।
বারবার পানি ও সাবান ব্যবহারে এই সমস্যা বাড়ে। এতে হাত শক্ত ও অস্বস্তিকর লাগে।তাই নিয়মিত লোশন ব্যবহার করা দরকার।চলুন আজ সহজভাবে জেনে নেই,শুষ্ক হাতের জন্য কোন ধরনের লোশন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায় এবং কীভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
পেজ সূচিপএঃএকদম শুষ্ক হাত হলে কোন লোশন রাতে দিলে ঠিক হয়,বিস্তারিতভাবে জেনে নিন।
- একদম শুষ্ক হাত হলে কোন লোশন রাতে দিলে ঠিক হয়
- শুষ্ক হাতের জন্য রাতে কোন লোশন ভালো
- হাত খুব শুকিয়ে গেলে কী ব্যবহার করবেন
- হাত নরম করার জন্য ভালো ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম
- শুষ্ক হাত ঠিক করার ঘরোয়া উপায়
- রাতে হাতের যত্ন নেওয়ার সহজ পদ্ধতি
- হাত ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমাধান
- হাতের ত্বক নরম রাখতে কী লাগাবেন
- শুষ্ক হাতের জন্য ক্রিম না লোশন কোনটা ভালো
- হাতের শুষ্কতা দূর করার সহজ টিপস
- শীতকালে হাতের যত্ন নেওয়ার উপায়
- শেষ কথাঃএকদম শুষ্ক হাত হলে কোন লোশন রাতে দিলে ঠিক হয়।
একদম শুষ্ক হাত হলে কোন লোশন রাতে দিলে ঠিক হয়
একদম শুষ্ক হাত হলে রাতে কী লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করবেন,এটা অনেক মানুষেরই সাধারণ সমস্যা।একদম শুষ্ক হাত হলে অনেক সময় হাত খসখসে লাগে,ফেটে যায় এবং দেখতে ভালো লাগে না। বিশেষ করে শীতকাল,বেশি সাবান ব্যবহার বা ডিটারজেন্টের কারণে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই রাতে ঘুমানোর আগে হাতের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। রাতে এমন লোশন ব্যবহার করা ভালো যেগুলো হাতের ত্বককে গভীরভাবে আর্দ্র রাখে।
একদম শুষ্ক হাত হলে রাতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে ঘন টাইপের হ্যান্ড ক্রিম। সাধারণত গ্লিসারিন,অ্যালোভেরা,শিয়া বাটার বা ভ্যাসলিনযুক্ত লোশন শুষ্ক হাতের জন্য ভালো কাজ করে। এসব লোশন ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রাতে লোশন ব্যবহার করলে সারা রাত ধরে তা ত্বকে কাজ করতে পারে।
রাতে ব্যবহার করার সঠিক নিয়মও খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে হাত ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর একটু বেশি পরিমাণ ক্রিম নিয়ে হাতের তালু,আঙুলের ফাঁক এবং নখের চারপাশে ভালোভাবে লাগান। এরপর চাইলে পাতলা কটন গ্লাভস পরে ঘুমাতে পারেন। এতে সারা রাত ক্রিম ভালোভাবে কাজ করে এবং সকালে হাত অনেক নরম লাগে।
আরও পড়ুন ঃ কলার খোসা কী কাজে লাগে ও এর উপকারিতা।
এতে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়।যদি হাত খুব বেশি ফাটা থাকে,তাহলে লোশন নয়,“ইনটেনসিভ রিপেয়ার”লেখা ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। কারণ লোশন হালকা হয়,কিন্তু ক্রিম ত্বকে একটি স্তর তৈরি করে যা আর্দ্রতা ধরে রাখে। তাই একদম শুষ্ক হাতের জন্য রাতে ঘন হ্যান্ড ক্রিমই সবচেয়ে ভালো সমাধান।
পাশাপাশি দিনে বারবার হাত ধোয়ার পরও হালকা লোশন লাগানো ভালো। খুব গরম পানি দিয়ে হাত ধোয়া কমানো উচিত। এতে হাতের শুষ্কতা কমে।শুষ্ক হাতের সমস্যা একদিনে পুরোপুরি ঠিক হয় না,তাই ধৈর্য ধরে যত্ন নিতে হয়।পানি বেশি পান করাও ত্বকের জন্য উপকারি।একদম শুষ্ক হাত ঠিক করতে হলে প্রতিদিন রাতে ভালো একটি হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। ৫-৭ দিন নিয়মিত ব্যবহার করলে হাত অনেকটাই নরম হয়ে যায়। আর হাত ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার বা ঘন ক্রিম ব্যবহার করলে সমস্যা দ্রুত কমে যায়।
শুষ্ক হাতের জন্য রাতে কোন লোশন ভালো
আমি আগেই সংক্ষেপে বলেছি,এখন আমি দেখাব কোন ধরনের লোশন কোন উপাদান থাকলে কতটা কাজে লাগে এবং হাতের শুষ্কতার ধরন অনুযায়ী কীভাবে সঠিক লোশন বেছে নেওয়া যায়।শুষ্ক হাতের জন্য রাতে কোন লোশন ভালো হবে,এটা আসলে হাতের শুষ্কতার ওপর নির্ভর করে। যদি হাত খুব বেশি শুকনো হয়,তাহলে সাধারণ লোশনের বদলে একটু ঘন ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করা ভালো।
কারণ ঘন লোশন বা ক্রিম ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা ধরে রাখতে বেশি সাহায্য করে। বিশেষ করে যেসব লোশনে গ্লিসারিন,অ্যালোভেরা,শিয়া বাটার বা ভিটামিন ই থাকে,সেগুলো শুষ্ক হাতের জন্য খুব উপকারী। এগুলো ত্বককে নরম করে এবং ফাটা বা রুক্ষ ভাব কমায়।
এরপর তৈলাক্ত ধরনের ময়েশ্চারাইজার বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন অলিভ অয়েল,আর্গান অয়েল বা জোজোবা অয়েল। বিশেষ করে শীতকালে হ্যান্ড ক্রিম লাগানোর পর হাতে অলিভ অয়েল দিলে হাত অনেক নরম হয় এবং শুষ্কতা কমে। তবে নিয়মিতভাবে এই যত্ন নেওয়া খুব জরুরি,কারণ একদিন বাদ দিলে পরের দিন হাতের ত্বকে সাদা দাগ বা ফাটা দেখা দিতে পারে।
হাত খুব শুকিয়ে গেলে কী ব্যবহার করবেন
হাত খুব শুকিয়ে গেলে সেটা অনেক অস্বস্তিকর হয়ে যায়। হাত খসখসে লাগতে পারে,ফেটে যেতে পারে এবং মাঝে মাঝে জ্বালা বা ব্যথাও হয়। এমন অবস্থায় সাধারণ লোশন দিয়ে কাজ চলবে না,বরং একটু ঘন ধরনের হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। ঘন ক্রিম ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং হাতকে নরম করে। বিশেষ করে শুষ্ক হাতের জন্য যেসব ক্রিমে গ্লিসারিন,শিয়া বাটার,অ্যালোভেরা বা ভিটামিন ই থাকে,সেগুলো অনেক কার্যকর।রাতে ঘুমানোর আগে এই ক্রিম ভালোভাবে হাতের তালু,আঙুলের ফাঁক এবং নখের চারপাশে লাগাতে হবে।
আরও পড়ুন ঃ শরীরে সরিষার তেল লাগানোর উপকারিতা।
কিছু প্রাকৃতিক তেলও উপকারী,যেমন অলিভ অয়েল,নারকেল তেল। শীতকালে হ্যান্ড ক্রিমের ওপর হালকা তেল ব্যবহার করলে হাত আরও নরম থাকে। নিয়মিত যত্ন না নিলে হাত আবার দ্রুত শুকিয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন রাতে ক্রিম ব্যবহার করা খুব জরুরি। ধীরে ধীরে হাতের শুষ্কতা কমে আসে এবং হাত নরম ও মসৃণ হয়। ভালো হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করলে হাতের সৌন্দর্যও ফিরে আসে। শিশুদের মতো কোমল ও মসৃণ ত্বক বজায় রাখা সম্ভব হয়। তাই হাত খুব শুকিয়ে গেলে ঘন ক্রিম এবং প্রয়োজন হলে প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
হাত নরম করার জন্য ভালো ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম
হাত নরম করার জন্য ভালো ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করা খুবই জরুরি,বিশেষ করে যাদের হাত অনেক শুষ্ক বা ফাটা। সাধারণ লোশন অনেক সময় কাজ করে না,তাই ঘন ধরনের ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। ভালো হ্যান্ড ক্রিমে এমন উপাদান থাকা উচিত যা ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা ধরে রাখে। উদাহরণস্বরূপ গ্লিসারিন,শিয়া বাটার,অ্যালোভেরা এবং ভিটামিন ই খুব কার্যকর। এই ধরনের ক্রিম রাতে ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।ক্রিম নিয়মিত ব্যবহার করলে হাতের ত্বক মসৃণ ও কোমল থাকে।
শুষ্ক হাত ঠিক করার ঘরোয়া উপায়
আমরা অনেক কিছু শিখেছি—লোশন,তেল,ময়েশ্চারাইজার,গ্লিসারিন ইত্যাদি নিয়ে। কিন্তু হাতের ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করার সহজ ঘরোয়া উপায়ও আছে। অনেক রাসায়নিক উপাদান ত্বকের জন্য ক্ষতি করতে পারে,তাই ঘরে থাকা প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করা অনেক ভালো। এতে হাতের ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে এবং কোনো ধরনের ক্ষতি হয় না।শুষ্ক হাত ঠিক রাখতে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় আরও আছে,যা নিয়মিত ব্যবহার করলে হাত নরম ও মসৃণ থাকে:
মধু ব্যবহার: রাতে ঘুমানোর আগে হাতের ওপর একটু মধু লাগিয়ে ১০–১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। মধু ত্বককে আর্দ্রতা দেয় এবং নরম করে।
দই বা দুধের মাস্ক: হাতের ত্বকে দই বা দুধ লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখলে শুষ্কতা কমে এবং হাতের ত্বক কোমল হয়।
অলিভ অয়েল ম্যাসাজ: হাতের ওপর অলিভ অয়েল লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বকের গভীরে আর্দ্রতা ধরে রাখে।
নারকেল তেল ব্যবহার: রাতে ক্রিমের সাথে হাতের ওপর নারকেল তেল লাগালে শুষ্ক হাত অনেক নরম হয়ে যায়।
জল এবং লেবুর স্ক্রাব: হাতের শুষ্ক ত্বক ও মৃত কোষ সরাতে সপ্তাহে একবার হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।
গ্লাভস পরা: শীতকালে বা ঘরের কাজের সময় রাবার বা কটন গ্লাভস পরলে হাত শুষ্কতা কমে।
প্রাকৃতিক হিউমিডিফায়ার: ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে বাতাস আর্দ্র থাকে এবং হাত কম শুষ্ক হয়।
প্রচুর পানি পান করা: শরীরের হাইড্রেশন ভালো থাকলে হাতের ত্বকও নরম থাকে।
চিনি বা পেঁয়াজের পেস্ট: হাতের স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত ত্বক সরিয়ে হাত নরম হয়।
হালকা সাবান ব্যবহার: শক্ত সাবানের বদলে কোমল বা হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করুন।
এই ঘরোয়া উপায়গুলো নিয়মিত ব্যবহার করলে হাতের শুষ্কতা কমে আসে,হাত নরম ও মসৃণ থাকে এবং ফাটা বা খসখসে ভাব দূর হয়।
রাতে হাতের যত্ন নেওয়ার সহজ পদ্ধতি
রাতে হাতের যত্ন নেওয়ার সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করলে হাত অনেক নরম ও মসৃণ রাখা সম্ভব। প্রথমে রাতে ঘুমানোর আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন। খুব গরম পানি ব্যবহার করা ঠিক নয়,কারণ এতে হাত আরও শুকিয়ে যায়। ধোয়ার পর হালকাভাবে হাত শুকিয়ে নিন। এরপর ঘন হ্যান্ড ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লাগান। ক্রিম শুধু তালুতে নয়,আঙুলের ফাঁক এবং নখের চারপাশেও ভালোভাবে ছড়িয়ে দিন। হাতের ওপর হালকা ম্যাসাজ করলে ক্রিম ত্বকের ভেতরে ভালোভাবে ঢুকে যায়।
চাইলে ক্রিমের ওপর অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে শুষ্কতা দ্রুত কমে। ক্রিম লাগানোর পর পাতলা কটন গ্লাভস পরে ঘুমালে পুরো রাত ক্রিম কাজ করে। সপ্তাহে একবার হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করা ভালো,এতে মৃত ত্বক উঠে যায় এবং ক্রিম আরও কার্যকর হয়। শীতকালে হাতের যত্ন নেওয়া আরও গুরুত্বপূর্ণ। দিনে হাত ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে ফল ভালো হয়। গরম পানি বা শক্ত সাবান ব্যবহারে হাত শুষ্ক হতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সময় গ্লাভস পরলে হাত শুষ্কতা থেকে বাঁচে।
যদি হাত ফেটে থাকে,ইনটেনসিভ হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করা ভালো। প্রাকৃতিক মাস্ক যেমন দই,মধু বা শুশুকও হাত নরম করতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পানি পান করাও হাতের ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেট রাখে। নিয়মিত রাতের এই যত্ন মেনে চললে হাতের শুষ্কতা কমে এবং হাত মসৃণ,কোমল ও সুন্দর থাকে। হাতের ত্বককে ফাটা ও রুক্ষ ভাব থেকে রক্ষা করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর। তাই রাতের রুটিনে নিয়মিত হ্যান্ড ক্রিম ও ঘরোয়া যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।
হাত ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমাধান
হাত ফাটা ও রুক্ষ ত্বক অনেকেরই সাধারণ সমস্যা,বিশেষ করে শীতকালে বা বারবার পানি ও সাবান ব্যবহারের কারণে। হাত ফেটে গেলে ত্বক রুক্ষ,অস্বস্তিকর এবং ব্যথাযুক্ত হতে পারে। এই সমস্যা কমাতে নিয়মিত ঘন হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করা খুব জরুরি। ক্রিমে গ্লিসারিন,শিয়া বাটার,অ্যালোভেরা বা ভিটামিন ই থাকলে হাত নরম হয় এবং আর্দ্রতা ধরে থাকে। রাতে ঘুমানোর আগে হাতে পর্যাপ্ত ক্রিম লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। চাইলে ক্রিমের ওপর অলিভ অয়েল বা নারকেল তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে।
এতে ত্বক গভীরভাবে আর্দ্র থাকে এবং ফাটা ভাব কমে। হাতের তালু,আঙুলের ফাঁক এবং নখের চারপাশে ভালোভাবে ক্রিম ছড়িয়ে দিন। হাত ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। সপ্তাহে একবার হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করলে মৃত ত্বক উঠে যায় এবং ক্রিম আরও কার্যকর হয়। বাইরে গেলে গ্লাভস পরা ফাটা ও রুক্ষ হাত থেকে রক্ষা করে। প্রাকৃতিক মাস্ক যেমন দই বা মধু হাত নরম করতে সাহায্য করে। গরম পানি ও শক্ত সাবান ব্যবহার এড়িয়ে চললে হাত শুষ্ক হয় না।
পর্যাপ্ত পানি পান করাও হাতের ত্বক হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত যত্ন নিলে হাতের ফাটা ভাব ধীরে ধীরে কমে। প্রতিদিন রাতে ঘন ক্রিম ব্যবহার করলে হাত কোমল ও মসৃণ থাকে। শীতকালে হাতের যত্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলে কোনো ক্ষতি হয় না। শিশুদের মতো নরম হাত পাওয়ার জন্য নিয়মিত যত্ন প্রয়োজন। হাতে ফাটা বা রুক্ষ ভাব থাকলে একদিনও যত্ন বাদ দেওয়া উচিত নয়। তাই হাত ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া ও নিয়মিত যত্ন নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
হাতের ত্বক নরম রাখতে কী লাগাবেন
হাতের ত্বক নরম রাখতে সঠিক যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। হাত বেশি ধোয়া বা সাবান,ডিটারজেন্ট ব্যবহারের কারণে দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়। তাই প্রথমেই হাতে হালকা ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড লোশন ব্যবহার করা উচিত। তবে খুব শুষ্ক হাতের জন্য ঘন হ্যান্ড ক্রিম বেশি কার্যকর। এই ক্রিমে গ্লিসারিন,শিয়া বাটার,অ্যালোভেরা বা ভিটামিন ই থাকলে হাত নরম ও মসৃণ থাকে। রাতে ঘুমানোর আগে ক্রিম পর্যাপ্ত পরিমাণে হাতে লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। হাতের তালু,আঙুলের ফাঁক এবং নখের চারপাশেও ভালোভাবে ছড়িয়ে দিন।
চাইলে ক্রিমের ওপর অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ক্রিম পুরো রাত কাজ করে এবং হাত গভীরভাবে আর্দ্র থাকে। সপ্তাহে একবার হালকা স্ক্রাব ব্যবহার করলে মৃত ত্বক উঠে যায় এবং ক্রিম আরও কার্যকর হয়। বাইরে গেলে গ্লাভস পরলে হাত শুষ্কতা থেকে রক্ষা পায়। শীতকালে হাতের যত্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ। দিনে হাত ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। গরম পানি বা শক্ত সাবান ব্যবহার কমালে হাত কম শুষ্ক হয়। প্রাকৃতিক মাস্ক যেমন দই বা মধু হাত নরম করতে সাহায্য করে।
পর্যাপ্ত পানি পান করাও হাতের ত্বক হাইড্রেট রাখে। নিয়মিত রাতের যত্ন নিলে হাতের শুষ্কতা কমে আসে। হাত নরম,কোমল ও মসৃণ থাকে। ফাটা বা রুক্ষ ভাব কমে যায়। তাই হাতের ত্বক নরম রাখতে প্রতিদিনের সঠিক ক্রিম এবং ঘরোয়া যত্ন খুবই কার্যকর।
শুষ্ক হাতের জন্য ক্রিম না লোশন কোনটা ভালো
শুষ্ক হাতের জন্য ক্রিম না লোশন কোনটা ভালো,এটা মূলত হাতের শুষ্কতার মাত্রার ওপর নির্ভর করে। যদি হাত হালকা শুষ্ক থাকে,তাহলে হালকা লোশনও কাজে আসতে পারে। কিন্তু হাত খুব শুকনো,ফাটা বা রুক্ষ হয়ে থাকলে ঘন ক্রিম ব্যবহার করাই ভালো। ক্রিমে সাধারণত গ্লিসারিন,শিয়া বাটার,অ্যালোভেরা বা ভিটামিন ই থাকে,যা ত্বকের ভেতরে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং হাত নরম করে।দিনে হাত ধোয়ার পর হালকা লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
শীতকালে ক্রিমের গুরুত্ব বেশি, কারণ ঠান্ডায় হাত আরও শুকিয়ে যায়। বাইরে কাজের সময় গ্লাভস পরা উচিত,যাতে হাত রুক্ষ না হয়। হ্যান্ড ক্রিম নিয়মিত ব্যবহার করলে হাতের ফাটা ভাব কমে।হঠাৎ করেই একদিন ক্রিম ব্যবহার না করলে হাত শুষ্ক হতে পারে। তাই শুষ্ক হাতের জন্য ঘন ক্রিম সবচেয়ে কার্যকর। নিয়মিত ব্যবহার করলে হাত নরম,মসৃণ এবং কোমল থাকে। লোশন হালকা আর্দ্রতার জন্য ভালো,কিন্তু খুব শুষ্ক হাতের জন্য ক্রিমই সেরা সমাধান। হাতের সৌন্দর্য ও আরাম বজায় রাখতে নিয়মিত ক্রিম ব্যবহার করা জরুরি।
হাতের শুষ্কতা দূর করার সহজ টিপস
হাতের শুষ্কতা দূর করার অনেক সহজ ঘরোয়া টিপস আছে,যা নিয়মিত ব্যবহার করলে হাত নরম ও মসৃণ রাখা সম্ভব। প্রথমে হাত খুব গরম পানি বা শক্ত সাবান দিয়ে ধোয়া এড়িয়ে চলা উচিত। হালকা হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করলে হাত কম শুষ্ক হয়। ধোয়ার পর হাত ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। এরপর ঘন হ্যান্ড ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার পর্যাপ্ত পরিমাণে হাতে লাগান। ক্রিমের সঙ্গে অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল ব্যবহার করলে হাত আরও নরম হয়।শীতকালে হাতের যত্ন বেশি জরুরি। বাইরে বের হওয়ার সময় গ্লাভস পরা ভালো।
দিনে হাত ধোয়ার পর হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রাকৃতিক মাস্ক যেমন দই বা মধু হাত নরম রাখতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পানি পান করলে হাত ভেতর থেকে হাইড্রেট থাকে। হাত খসখসে বা ফেটে গেলে ইনটেনসিভ হ্যান্ড ক্রিম ব্যবহার করা প্রয়োজন। নিয়মিত যত্ন নিলে হাতের ফাটা ভাব কমে। হাতের সৌন্দর্য ও কোমলতা বজায় থাকে। রুক্ষ হাতকে প্রতিদিনের এই পদ্ধতি মেনে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। হাত শুষ্কতা দূর করতে এই ঘরোয়া টিপস খুব কার্যকর। নিয়মিত যত্ন নেওয়া হাতকে ফাটা ও রুক্ষ ভাব থেকে রক্ষা করে। প্রতিদিন এই টিপস অনুসরণ করলে হাত নরম, কোমল ও সুন্দর থাকে।
শীতকালে হাতের যত্ন নেওয়ার উপায়
শীতকালে হাতের যত্ন নেওয়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ,কারণ ঠান্ডা বাতাস এবং শুকনো পরিবেশ হাতের ত্বককে খুব শুষ্ক করে তোলে। সকালে বা বাইরে বের হওয়ার আগে হাতের ওপর হালকা ময়েশ্চারাইজার বা হ্যান্ড লোশন লাগানো উচিত। ঘন হ্যান্ড ক্রিম রাতে ব্যবহার করলে হাত গভীরভাবে আর্দ্রতা পায় এবং শুষ্কতা কমে। হাত ধোয়ার পর হালকা ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করলে ত্বক নরম থাকে। খুব গরম পানি বা শক্ত সাবান ব্যবহার করা এড়িয়ে চলা ভালো।হাতের ফাটা বা রুক্ষতা কমাতে নিয়মিত ক্রিম ব্যবহার জরুরি।
আরও পড়ুন ঃ কাপড় শুকাতে দেরি হলে কোন ধরণের রোদে রাখলে দ্রুত শুকায়।
বাইরে কাজের সময়ও মাঝে মাঝে হালকা ক্রিম লাগানো ভালো। প্রাকৃতিক তেল যেমন জোজোবা তেল বা আর্গান অয়েল হাত নরম রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত রাতের রুটিন মেনে চললে হাতের শুষ্কতা কমে আসে। ঠান্ডায় হাতের ত্বককে কোমল ও মসৃণ রাখা সম্ভব হয়। হাতের সৌন্দর্য বজায় রাখতে ঘরোয়া উপায়গুলো অনুসরণ করা উচিত। শীতকালে নিয়মিত যত্ন নিলে হাত ফাটা ও রুক্ষ ভাব থেকে মুক্ত থাকে। হাতকে রুক্ষতা ও শুষ্কতা থেকে রক্ষা করতে ঘন ক্রিম ও প্রাকৃতিক যত্ন খুব কার্যকর।
শেষ কথাঃএকদম শুষ্ক হাত হলে কোন লোশন রাতে দিলে ঠিক হয়
হাতের ত্বক নরম ও পুষ্টি যোগানোর জন্য লোশন বা হ্যান্ড ক্রিমের বিকল্প খুব কমই আছে। শুষ্ক হাতের জন্য সঠিক লোশন বা ক্রিম বেছে নিয়ে তা নিয়মিত ব্যবহার করতেই হবে। সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি খাওয়াও জরুরি,এতে ত্বক ভেতর থেকে হাইড্রেটেড ও প্রাণবন্ত থাকে। লোশন বা ক্রিম ব্যবহারের আগে অবশ্যই হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী লোশন বাছাই করলে ফল ভালো আসে।
শুধু হাতের ত্বক নয়,পায়ের ত্বক এবং পুরো শরীরের ত্বকেও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। যদি শরীরের ত্বকের যত্ন না নেওয়া হয়,ত্বক অল্প বয়সেই বৃদ্ধ হওয়ার ছাপ পড়ে যাবে এবং ত্বক ফেটে গিয়ে ত্বকে ভাজ পড়ে যাবে। । এতে মুখে,হাত-পায়ে ও শরীরের অন্যান্য অংশে ভাজ বা ফাটল দেখা দিতে পারে। নিয়মিত ক্রিম বা তেল ব্যবহার এবং হাইড্রেশন বজায় রাখলে ত্বক নরম,মসৃণ ও সুস্থ থাকে। তাই প্রতিদিন ঘরোয়া যত্ন নেওয়াটা খুব জরুরি।

.webp)
.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url