অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

অনেকে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন,যা চুলকে পাতলা ও চুল পড়তে পড়তে অনেকের মাথায় টাক পড়ে যায়।ঘরোয়া কিছু সহজ উপায় মেনে চললে চুল পড়া কমানো এবং ঘন চুল পাওয়া সম্ভব।

                                          

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

চলুন আজকের আর্টিকেলটিতে বিস্তারিতভাবে জেনে নিই অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

পেজ সূচিপএঃঅতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায় বিস্তারিত ভাবে জেনে নিন।

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

অতিরিক্ত চুল পড়া এখন অনেকেরই সাধারণ সমস্যাধুলাবালি,মানসিকচাপ,পুষ্টিরঅভাব,হরমোনের সমস্যা কিংবা বেশি কেমিক্যাল ব্যবহার,এসব কারণে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে ও দ্রুত ঝরে যায়। তবে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় মেনে চললে চুল পড়া অনেকটাই কমানো এবং চুল ঘন করা সম্ভব। সপ্তাহে ২–৩ বার নারকেল তেল বা আমলা তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়।

অ্যালোভেরা জেল বা মেথি বাটা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।পাশাপাশি খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। ডিম,ডাল,বাদাম,সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল চুলের জন্য খুব উপকারী। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করলে চুল শুষ্ক হয় না। খুব গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া,শক্ত করে চুল বাঁধা বা অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। 

অতিরিক্ত চুল পড়ার কারণসমূহ

অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে,আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা নিজের অজান্তেই কিছু ভুল করি। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলোপুষ্টির অভাব।শরীরে প্রোটিন,আয়রন,ভিটামিন ডি বা বি-কমপ্লেক্স কম থাকলে চুল দুর্বল হয়ে যায়। এছাড়া মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা চুল পড়ার বড় কারণ,কারণ স্ট্রেস হলে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।অনেক সময় হরমোনের পরিবর্তন,যেমন থাইরয়েড সমস্যা,সন্তান জন্মের পর বা কিশোর বয়সে হরমোন ওঠানামা,এসবের কারণেও চুল বেশি ঝরে।

এছাড়া অতিরিক্ত কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু,হেয়ার কালার,স্ট্রেইটনার বা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার চুলকে দুর্বল করে দেয়। খুব গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া,শক্ত করে চুল বাঁধা বা ভেজা চুল আঁচড়ানোও ক্ষতির কারণ হতে পারে। খুশকি বা মাথার ত্বকের সংক্রমণ থাকলেও চুল পড়া বাড়ে। সহজভাবে বলতে গেলে,ভুল খাদ্যাভ্যাস,স্ট্রেস,হরমোন সমস্যা ও ভুল চুলের যত্ন,এই কয়েকটি কারণই বেশি চুল পড়ার মূল কারণ।

চুল পড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়

চুল পড়া কমাতে ঘরোয়া কিছু সহজ উপায় নিয়মিত মেনে চললেই ভালো ফল পাওয়া যায়। সপ্তাহে ২–৩ বার নারকেল তেল বা আমলা তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে আঙুলের ডগা দিয়ে ম্যাসাজ করলে চুলের গোড়া শক্ত হয় এবং রক্তসঞ্চালন বাড়ে। মেথি ভিজিয়ে বেটে পেস্ট করে বা অ্যালোভেরা জেল সরাসরি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০–৪০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে চুল পড়া কমে এবং চুল নরম থাকে। ডিম ও দই মিশিয়ে মাস্ক ব্যবহার করলেও চুলে প্রোটিন যায়,ফলে চুল মজবুত হয়।

পাশাপাশি খাবারের দিকে খেয়াল রাখা খুব জরুরি। ডিম,ডাল,মাছ,বাদাম,সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল চুলের জন্য উপকারী। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করলে চুল শুষ্ক হয় না। খুব গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া,ভেজা চুল আঁচড়ানো বা শক্ত করে চুল বাঁধা এড়িয়ে চলা উচিত।

ঘন চুল পেতে ঘরোয়া টিপস

ঘন চুল পেতে হলে প্রথমেই চুলের গোড়া শক্ত করা জরুরি। সপ্তাহে ২–৩ বার নারকেল তেল,আমলা তেল বা ক্যাস্টর অয়েল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং চুল দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে। 

                                        

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

মেথি ভিজিয়ে পেস্ট করে বা অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে। ডিম ও দইয়ের হেয়ার মাস্ক চুলে প্রোটিন জোগায়,ফলে চুল হয় মজবুত ও ঘন।

নারকেল তেল দিয়ে চুলের যত্ন

নারকেল তেল দিয়ে চুলের যত্ন নেওয়া খুবই সহজ এবং উপকারী একটি ঘরোয়া পদ্ধতি। নারকেল তেলে প্রাকৃতিকভাবে এমন উপাদান থাকে যা চুলের গোড়া শক্ত করে,শুষ্কতা কমায় এবং চুলকে নরম ও মসৃণ রাখে। সপ্তাহে ২–৩ বার হালকা গরম করে নারকেল তেল মাথার ত্বকে আঙুলের ডগা দিয়ে ৫–১০ মিনিট ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চাইলে তেল লাগিয়ে ১–২ ঘণ্টা রেখে বা রাতে লাগিয়ে সকালে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে পারেন।

নারকেল তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল ভাঙা কমে,খুশকি কমাতে সাহায্য করে এবং চুলে প্রাকৃতিক ঝলক আসে। তবে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করা ঠিক নয়,এতে চুল ভারী হয়ে যেতে পারে। সহজভাবে বলতে গেলে,সপ্তাহে কয়েকবার হালকা গরম নারকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ,কিছু সময় রেখে ধোয়া এবং নিয়মিত যত্ন,এই পদ্ধতি মানলেই চুল থাকবে শক্ত,ঘন ও স্বাস্থ্যবান।

আয়ুর্বেদিক তেল ও হেয়ার প্যাক

আয়ুর্বেদিক তেল ও হেয়ার প্যাক চুলের জন্য খুব উপকারী একটি প্রাকৃতিক যত্নের পদ্ধতি। আমলা,ব্রাহ্মী,ভৃঙ্গরাজ,নিম বা মেথি দিয়ে তৈরি আয়ুর্বেদিক তেল চুলের গোড়া শক্ত করে,চুল পড়া কমায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। সপ্তাহে ২–৩ বার হালকা গরম করে এই তেল মাথার ত্বকে ৫–১০ মিনিট ম্যাসাজ করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং চুল ধীরে ধীরে ঘন ও স্বাস্থ্যবান হয়।

হেয়ার প্যাক হিসেবে মেথি বাটা,অ্যালোভেরা জেল,দই ও ডিম মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এসব প্রাকৃতিক উপাদান চুলে পুষ্টি যোগায়,শুষ্কতা কমায় এবং চুলকে নরম ও ঝলমলে করে। সপ্তাহে একবার হেয়ার প্যাক ব্যবহার করলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।

প্রোটিন ও ভিটামিন যুক্ত খাবার

আমাদের চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি,তাই শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই ঝরে যায়।ডিম,মাছ,মুরগির মাংস,ডাল,ছোলা ও দুধজাত খাবার ভালো প্রোটিনের উৎস। পাশাপাশি ভিটামিন এ,বি-কমপ্লেক্স,সি,ডি এবং ই চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সবুজ শাকসবজি,গাজর,কমলা,আমলকি,বাদাম ও বীজে এসব ভিটামিন পাওয়া যায়।

এছাড়া আয়রন ও জিঙ্কও চুলের জন্য খুব দরকারি। আয়রনের অভাবে অনেক সময় অতিরিক্ত চুল পড়ে। পালং শাক,কলিজা,ডাল ও কিশমিশ আয়রনের ভালো উৎস। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি,কারণ পানি কম হলে চুল শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে যায়।

অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার

অ্যালোভেরা জেল চুলের যত্নে খুবই উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান।এটি মাথার ত্বক ঠাণ্ডা রাখে,খুশকি কমাতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়া মজবুত করে। সপ্তাহে ১–২ বার তাজা অ্যালোভেরা পাতার ভেতরের জেল বের করে সরাসরি মাথার ত্বকে লাগাতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে ৫–১০ মিনিট হালকা ম্যাসাজ করে ৩০–৪০ মিনিট রেখে দিন,তারপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল নরম,মসৃণ ও ঝলমলে হয়।

অ্যালোভেরা চুলে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখে,ফলে শুষ্ক ও রুক্ষ চুল ধীরে ধীরে ঠিক হয়। চাইলে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে সামান্য নারকেল তেল বা দই মিশিয়েও ব্যবহার করা যায়। তবে যাদের ত্বক খুব সংবেদনশীল,তারা আগে অল্প করে পরীক্ষা করে নেওয়াই ভালো।

মানসিক চাপ কমিয়ে চুল সুস্থ রাখা

মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা আমাদের চুলের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। অনেক সময় দেখা যায়,বেশি টেনশন,ঘুমের অভাব বা চিন্তার কারণে হঠাৎ করেই চুল পড়া বেড়ে যায়। কারণ স্ট্রেস হলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়,ফলে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং চুল দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই চুল সুস্থ রাখতে হলে শুধু তেল-শ্যাম্পু নয়,মনকেও শান্ত রাখা খুব জরুরি।

                                         

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

প্রতিদিন কিছু সময় নিজের জন্য রাখা,হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা,নামাজ/ধ্যান,ভালো ঘুম এবং পরিবারের সাথে সময় কাটানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে চুলও ঠিকভাবে বাড়তে পারে না। সহজভাবে বলতে গেলে,মন ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকে,আর শরীর ভালো থাকলে চুলও সুস্থ ও মজবুত থাকে। তাই চুল পড়া কমাতে চাইলে দুশ্চিন্তা কমিয়ে শান্ত ও নিয়মিত জীবনযাপন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ঘন চুলের জন্য নিয়মিত কেটে নেওয়া

ঘন ও স্বাস্থ্যবান চুল পেতে নিয়মিত চুল কেটে নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই মনে করেন চুল কেটে নেওয়া চুলকে আরও দ্রুত ঘন করে,যদিও এটি মূলত চুলের ভাঙা অংশ দূর করার জন্য সাহায্য করে। প্রতি ২–৩ মাস অন্তর চুলের ভাঙা বা খারাপ অংশ কেটে দিলে চুল দেখতে আরও মসৃণ ও স্বাস্থ্যবান লাগে। এতে চুলের গোড়া শক্ত থাকে এবং চুল সহজে ভাঙে না।নিয়মিত চুল কেটে নেওয়ার ফলে চুলের আকার সুন্দর থাকে।

প্রাকৃতিক তেল ও কন্ডিশনার ব্যবহার

চুল সুস্থ ও ঘন রাখতে প্রাকৃতিক তেল ও কন্ডিশনার ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক তেল যেমন নারকেল তেল,আমলা তেল বা ভৃঙ্গরাজ তেল চুলের গোড়া মজবুত করে,শুষ্কতা কমায় এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। সপ্তাহে ২–৩ বার হালকা গরম তেল দিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করলে চুলের রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং চুল আরও শক্ত ও স্বাস্থ্যবান হয়।

শ্যাম্পু করার পরে কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল নরম,মসৃণ ও ঝলমলে থাকে এবং চুলের ভাঙা কমে। প্রাকৃতিক তেল ও কন্ডিশনার একসাথে ব্যবহার করলে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকে,চুল ঝলমলে দেখায় এবং সহজে ছেঁড়ে বা ভেঙে যায় না।

শেষ কথাঃ অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ ও ঘন করার ঘরোয়া উপায়।

চুল পড়া কমানো এবং ঘন চুল পাওয়া সম্পূর্ণ সম্ভব ঘরোয়া উপায় মেনে চললে। নিয়মিত নারকেল বা আয়ুর্বেদিক তেল দিয়ে মাথার ত্বকে হালকা ম্যাসাজ,প্রাকৃতিক হেয়ার মাস্ক ব্যবহার,সুষম খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা চুলকে শক্ত ও স্বাস্থ্যবান রাখে। স্ট্রেস কমানো,নিয়মিত ঘুম এবং চুলকে অতিরিক্ত কেমিক্যাল বা গরম পানি থেকে রক্ষা করাও খুব জরুরি।প্রাকৃতিক যত্ন,সঠিক খাবার,নিয়মিত পরিচর্যা এবং মানসিক শান্তি মানলেই চুল পড়া কমে এবং চুল ধীরে ধীরে ঘন,সুন্দর ও ঝলমল হয়ে ওঠে।

চুল পড়া কমানো এবং ঘন চুল পাওয়ার জন্য নিয়মিত ছোট ছোট অভ্যাসও মেনে চলা জরুরি। চুলকে শক্ত রাখতে সপ্তাহে কয়েকবার নারকেল তেল বা আয়ুর্বেদিক তেল দিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। প্রাকৃতিক হেয়ার মাস্ক যেমন মেথি বাটা,ডিম ও দই,বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং নতুন চুল গজায়। পুষ্টিকর খাবার যেমন ডিম,মাছ,ডাল,বাদাম,শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া চুলকে ভিতর থেকে স্বাস্থ্যবান রাখে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Asadul Islam
Md. Asadul Islam
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও অ্যাডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।